রবিবার, ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৫| রাত ৯:৫৯

ইসরায়েলের বর্বর হামলায় ৩৬০ ফুটবল খেলোয়াড়সহ ৬৪৬ ক্রীড়াবিদের মৃত্যু।

প্রতিবেদক
Staff Reporter
ডিসেম্বর ২১, ২০২৪ ১:৫৭ অপরাহ্ণ
ইসরায়েলের বর্বর হামলায় ৩৬০ ফুটবল খেলোয়াড়সহ ৬৪৬ ক্রীড়াবিদের মৃত্যু।

ফিলিস্তিনের গাজায় দখলদার ইসরাইল চলমান বর্বরতার যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৬৪৬ জন ক্রীড়াবিদকে হত্যা করেছে , যার মধ্যে ৩৬০ জন ফুটবল খেলোয়াড়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এমন তথ্য জানিয়েছে।

শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী ১৪ মাসেরও বেশি সময় ধরে তাণ্ডব চালাচ্ছে। এতে এখন পর্যন্ত ৪৫ হাজার ২০৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে ৩৬০জন ফুটবল খেলোয়াড় এবং অন্যরা বিভিন্ন খেলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এ ছাড়া নিহতদের মধ্যে অন্তত ৯১ জন শিশু খেলোয়াড় ছিল।

ইসরায়েলের হামলায় গাজায় প্রতিনিয়ত নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। ইসরায়েলি বাহিনীর এই বর্বরতার পরিসংখ্যান চমকে ওঠার মতো।

গনহত্যায় ১৩ হাজার শিক্ষার্থী নিহতঃ
১৭ ডিসেম্বর ফিলিস্তিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে আলজাজিরার আরেক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় এ পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজার শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। শুধু হত্যা নয়, অনেককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে নির্যাতন করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের হামলায় গাজা উপত্যকা এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে ১২,৮০০ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। তবে অনেক মরদেহ উদ্ধার সম্ভব না হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত ছাড়াও অন্তত ২১ হাজার শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলাঃ
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দখলদার ইসরায়েলের বর্বরবহামলায় অন্তত ৬০০ জন শিক্ষক ও স্কুল প্রশাসক নিহত এবং ৩,৮০০ জন আহত হয়েছেন। পশ্চিম তীরে ৫৪০ জন শিক্ষার্থী ও ১৬০জন শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গাজার গ্রেপ্তারের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি।

এ ছাড়া ৪২৫টি সরকারি স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় এবং তাদের ভবন বোমা হামলায় ধ্বংস করে দিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের জন্য জাতিসংঘের অধিভুক্ত ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বোমা হামলায় মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। এর মধ্যে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ধ্বংসাবশেষেই কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্টরা।

দেশজগত, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক ।

মন্তব্য করুন
Spread the love

সর্বশেষ - সর্বশেষ