সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে মার্কিন-সিরীয় যৌথ বাহিনী আইএসের ১৫ অস্ত্রাগার ধ্বংস
সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে আন্তর্জাতিক ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর ১৫টি অস্ত্রাগার ধ্বংস করেছে মার্কিন-সিরীয় যৌথ বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকোম শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “২৪ নভেম্বর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে ইসলামিক স্টেটের ১৫টি অস্ত্রাগার ধ্বংস করা হয়েছে। এ অভিযানে ১৩০টিরও বেশি মর্টার ও রকেট, অজস্র অ্যাসল্ট রাইফেল, মেশিনগান, অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন এবং বোম তৈরির সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে।”
সিরিয়ায় ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের উত্থান ঘটে। এক বছরের মধ্যে দক্ষিণ সিরিয়া ও ইরাকের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে তারা রাষ্ট্র স্থাপন করেছিল। আইএসের হামলায় সিরিয়া, ইরাক এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন।
আইএসকে সমূলে ধ্বংস করতে ২০১৫ সাল থেকে সিরিয়া ও ইরাকে অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তীতে রাশিয়াও এতে অংশ নেয়, যদিও রুশ বাহিনীর অভিযান শুধুমাত্র সিরিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। টানা কয়েক বছরের অভিযানের ফলে কার্যত কোমর ভেঙে গেছে আইএসের। তাদের দখলে থাকা বিস্তীর্ণ এলাকার মাত্র ৫ ভাগই এখনও কিছু রকমে টিকে আছে।
২০২৪ সালে সিরিয়ায় এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের সরকার পতিত হয়। নতুন প্রেসিডেন্ট হন আহমেদ আল শারা। সম্প্রতি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে ট্রাম্প আশ্বাস দেন, আহমেদ আল শারা নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র: রয়টার্স


















