শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬| দুপুর ১:৪১

সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায় বাতিল ঘোষণা

প্রতিবেদক
staffreporter
নভেম্বর ২১, ২০২৫ ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায় বাতিল ঘোষণা

সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায় বাতিল ঘোষণা

সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের দেওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল রায়কে কলঙ্কিত ও ত্রুটিপূর্ণ ঘোষণা করে তা বাতিল করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ফুল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার সর্বসম্মতভাবে যুগান্তকারী এই রায় ঘোষণা করেন।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ২০১১ সালের এই রায়কে বিচারিক প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রায়ের আগে বিচারপতি খায়রুল হককে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ত্রাণ তহবিল থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়েছিলেন, যা একজন বিচারপতির জন্য অত্যন্ত কলঙ্কজনক। আইনজ্ঞরা মনে করেন, খায়রুল হকের এই রায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে একতরফা নির্বাচনের সুযোগ প্রদান করেছিল।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল সংক্রান্ত রায়ের সময় খায়রুল হক সহাপিল বেঞ্চের চারজন রায়ের পক্ষে এবং তিনজন বিপক্ষে ছিলেন। কিন্তু তৎকালীন অ্যামিকাস কিউরি ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের অনেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন। তবুও খায়রুল হক কাস্টিং ভোট দিয়ে রায় পরিবর্তন করেন, যা সুপ্রিম কোর্টের নিয়ম ও সিপিসি অনুযায়ী যথাযথ নয়।

আইনজ্ঞরা বলেন, প্রকাশ্য আদালতে ঘোষিত রায় পরবর্তীতে রিভিউ প্রক্রিয়া ছাড়া পরিবর্তন করা যায় না। খায়রুল হক নিজেই এই প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে রায় পরিবর্তন করেন, যা বিচারিক অসদাচরণ ও প্রতারণা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর ফলে তিনটি একতরফা নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল, যা দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল।

এছাড়া, সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের অন্যান্য বিতর্কিত রায়ের মধ্যে রয়েছে মুজিব হত্যা মামলার রায় এবং সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী সংক্রান্ত রায়। আইনজীবীরা মনে করছেন, তিনি নিজের পদ ও সুবিধার স্বার্থে বিচারকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছেন।

এই রায়ের মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার এবং গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ঘটনায় খায়রুল হকের ভূমিকা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিচারপতি হিসেবে তার কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত দেশের ইতিহাসে এক বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবে রয়ে গেছে।

মন্তব্য করুন
Spread the love

সর্বশেষ - বানিজ্য ও অর্থনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত
প্রথম শ্রেণি থেকেই সামরিক প্রশিক্ষণ চালু করছে মহারাষ্ট্র সরকার

প্রথম শ্রেণি থেকেই সামরিক প্রশিক্ষণ চালু করছে মহারাষ্ট্র সরকার

ইসরায়েলের হামলায় বন্ধ হয়ে গেছে উত্তর গাজার শেষ হাসপাতালটিও

ইসরায়েলের হামলায় বন্ধ হয়ে গেছে উত্তর গাজার শেষ হাসপাতালটিও

তামিলনাড়ুর সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন সিনেমার জন্য দৈনিক পাঁচটি শোর অনুমতি

তামিলনাড়ুর সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন সিনেমার জন্য দৈনিক পাঁচটি শোর অনুমতি

ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

ওয়েলিংটন টেস্টে তিন দিনেই বড় ব্যবধানে জয় নিউজিল্যান্ডের

ওয়েলিংটন টেস্টে তিন দিনেই বড় ব্যবধানে জয় নিউজিল্যান্ডের

তেহরানে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ, ফের হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল?

তেহরানে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ, ফের হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল?

আজকের খেলা: ১৫ আগস্ট, ২০২৬

আজকের খেলা: ১১ জুন, ২০২৬

বিশ্ব এইডস দিবস: দেশে এইডস আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে

আইওএসের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ: হ্যাকাররা কেন আইফোনকে টার্গেট করছে?

আইওএসের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ: হ্যাকাররা কেন আইফোনকে টার্গেট করছে?

বেক্সিমকো শ্রমিকদের পাওনা রমজান শুরুর আগেই পরিশোধের প্রতিশ্রুতি

বেক্সিমকো শ্রমিকদের পাওনা রমজান শুরুর আগেই পরিশোধের প্রতিশ্রুতি