সশস্ত্র বাহিনী দিবসে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের বাণী
সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস তার বাণীতে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা ২১ নভেম্বর সম্মিলিতভাবে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ সকল বীর শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
বাণীতে ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, মুক্তিবাহিনী, বিভিন্ন আধাসামরিক বাহিনী ও দেশপ্রেমিক জনতা এই সমন্বিত আক্রমণে অংশ নেন। হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করা সম্ভব হয়। তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, শিল্পকারখানায় নিরাপত্তা প্রদান, দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং অস্ত্র উদ্ধারসহ বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
ড. ইউনূস বাণীতে দেশের সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়ন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাবে।
একই সঙ্গে তারেক রহমানও বাণীতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবারের সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন। তিনি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান শহীদ জিয়াউর রহমান সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রযুক্তিনির্ভর, গতিশীল ও দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সুশিক্ষিত ও পেশাদার বাহিনীতে পরিণত হয়েছিল।


















