রাশফোর্ডের জোড়া গোলে নিউক্যাসলে স্মরণীয় রাত বার্সেলোনার
ধারে বার্সেলোনার হয়ে খেলতে গিয়ে স্বদেশের মাটিতেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন মার্কাস রাশফোর্ড। ইংলিশ ক্লাব থেকে ধারে আসা এই ফরোয়ার্ড নিউক্যাসল ইউনাইটেডের মাঠে শুধু প্রথম গোলই নয়, জোড়া গোল করে দলকে জয়ের স্বাদ এনে দিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে সেন্ট জেমস পার্কে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বার্সেলোনা জয় পায় ২–১ ব্যবধানে।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ব্যস্ত থাকলেও প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকে। নিউক্যাসল একাধিক সুযোগ পেলেও গোলরক্ষক হুয়ান গার্সিয়ার দুর্দান্ত সেভে তারা ব্যর্থ হয়। বার্সেলোনাও বল দখলে এগিয়ে থাকলেও কার্যকর শট নিতে হিমশিম খায়। বিরতির আগে রবার্ট লেভান্ডফস্কির একটি শট ঠেকান স্বাগতিকদের গোলরক্ষক।
ডেডলক ভাঙে ৫৮ মিনিটে। জুলস কুন্দের ক্রস পেয়ে হেডে গোল করে বার্সেলোনাকে এগিয়ে নেন রাশফোর্ড। এটি ছিল তার নতুন ক্লাবের হয়ে প্রথম গোল। নয় মিনিট পরই আবারও জ্বলে ওঠেন এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড। প্রতিপক্ষের ভুলে বল পেয়ে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের বাইরে থেকে তার শক্তিশালী শট ক্রসবারে লেগে জালে জড়ায়। এর মাধ্যমে হ্যারি কেইনের পর প্রথম ইংলিশ খেলোয়াড় হিসেবে কোনো বিদেশি ক্লাবের হয়ে স্বদেশি দলের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জোড়া গোল করলেন তিনি।
শেষ সময়ে গোল শোধ করার চেষ্টা চালায় নিউক্যাসল। ৯০তম মিনিটে জ্যাকব মার্ফির পাস থেকে অ্যান্টনি গর্ডন একটি গোল শোধ দেন। তবে ততক্ষণে ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যায় স্বাগতিকদের। যোগ করা সময়ে দানি ওলমোর শট ঠেকিয়ে দেন নিউক্যাসল গোলরক্ষক।
পুরো ম্যাচে ৬৫ শতাংশ বল দখলে রেখে বার্সেলোনা ১৯টি শট নেয়, যার মধ্যে পাঁচটি ছিল লক্ষ্যে। নিউক্যাসল নেয় ১০ শট, এর ছয়টি ছিল টার্গেটে। তবুও রাশফোর্ডের জোড়া গোলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা।



















