মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়ার সম্ভাবনা
লঘুচাপের প্রভাবে দেশের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির প্রবণতা বাড়লেও এর পরিমাণ খুব বেশি ছিল না। গত সোমবার সারা দেশের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগেই সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে, যার মধ্যে নোয়াখালীর মাইজদী কোর্টে ৮০ মিলিমিটার ও কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ৭৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। এ সময় রাজধানীতে মাত্র পাঁচ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ছিটেফোঁটা বৃষ্টি দেখা গেছে।
আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার থেকে লঘুচাপের প্রভাব কেটে যেতে শুরু করলেও মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তায় আগামীকাল বুধবার থেকে দু-তিনদিন সারা দেশে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে এ সময়ে অতিভারী বা একটানা ভারী বর্ষণের কোনো শঙ্কা নেই বলে নিশ্চিত করেছেন আবহাওয়াবিদরা।
চলতি মাসে মাঝে মাঝে বৃষ্টি হলেও ভাদ্রের অস্বস্তিকর গরম অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়েও অনুভূত তাপমাত্রা কিছুটা বেশি হতে পারে। তবে আগের দিনগুলোর তুলনায় বৃষ্টি কিছুটা বাড়ায় ইতিমধ্যে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কিছুটা কমতির দিকে।
বর্তমানে লঘুচাপটি পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড এলাকায় অবস্থান করছে এবং মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে। এর প্রভাবে রংপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের অধিকাংশ বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।



















