শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬| রাত ৪:২৯

মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক হালাল উৎসবে বাংলাদেশের উজ্জ্বল উপস্থিতি

প্রতিবেদক
staffreporter
অক্টোবর ২১, ২০২৫ ১০:২৯ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক হালাল উৎসবে বাংলাদেশের উজ্জ্বল উপস্থিতি

মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক হালাল উৎসবে বাংলাদেশের উজ্জ্বল উপস্থিতি

মালয়েশিয়ার ঐতিহাসিক মালাক্কা প্রদেশে অনুষ্ঠিত ‘মালাক্কা আন্তর্জাতিক হালাল ফেস্টিভাল-২০২৫’-এ অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। চার দিনব্যাপী এ উৎসবটি ১৬ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত মালাক্কায় অনুষ্ঠিত হয়। রোববার (১৯ অক্টোবর) কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।

এই উৎসবে খাদ্য ও পানীয়, হালাল ফ্যাশন, হালাল ট্যুরিজমসহ নয়টি ক্লাস্টারে ৪০০টি বুথের মাধ্যমে বাংলাদেশ, কোরিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, তাইওয়ান ও মালয়েশিয়াসহ আটটি দেশের প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।

১৮ অক্টোবর মালাক্কা প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইএবি দাতুক সেরি উতামা এবি রউফ বিন ইউসুহ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী, মালয়েশিয়ার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী সিনেটর দাতো’ সেতিয়া ড. হাজী মোহাম্মদ নাঈম বিন হাজী মোখতার, এবং ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুরের প্রতিনিধিদলসহ মালাক্কার মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা।

মেলায় বাংলাদেশের পক্ষে অংশ নেয় দেশটির শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ‘প্রাণ’। কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহযোগিতায় বরাদ্দ করা বুথে তারা বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয় পণ্য প্রদর্শন করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মালাক্কার মুখ্যমন্ত্রীসহ অতিথিরা বাংলাদেশের স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী ও তাঁর সহধর্মিণী ফারজানা নাসরিন অতিথিদের স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশের রপ্তানিযোগ্য পণ্য যেমন তৈরি পোশাক, পাটজাত ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, ওষুধ, প্লাস্টিক, খাদ্য ও পানীয় সামগ্রীর সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তাঁরা মালাক্কার মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগিতায় হালাল বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে আরও বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। এ কারণে হাইকমিশন পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে কুয়ালালামপুরসহ বিভিন্ন প্রদেশে বাণিজ্য মেলায় অংশ নিচ্ছে এবং নানা পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে। এ উৎসবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজধানীর বাইরেও বাংলাদেশের পণ্যের বাজার বিস্তারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন চারটি আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নিয়েছে।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের বুথে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের পাশাপাশি ঢাকায় আসন্ন ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো ২০২৫’-এর প্রচার, বিনিয়োগ ও পর্যটনবিষয়ক তথ্যচিত্র প্রদর্শন এবং প্রকাশনা বিতরণ করা হয়। প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যবসায়ী, পরিবেশক ও দর্শনার্থী বাংলাদেশের বুথ পরিদর্শন করে পণ্যের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন।

মেলার শেষ দিনে আয়োজক কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের সফল অংশগ্রহণের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ হাইকমিশনকে সনদপত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করে।

মন্তব্য করুন
Spread the love

সর্বশেষ - রাজনীতি