মাদুরোকে আটকের পর ট্রাম্পকে নেতানিয়াহুর অভিনন্দন ও বর্তমান পরিস্থিতি
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে মার্কিন বাহিনীর সফল অভিযানের মাধ্যমে আটকের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। মাদুরোকে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ব্রুকলিনে অবস্থিত মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে (MDC) কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর অভিনন্দন বার্তা
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এই অভিযানকে ‘ঐতিহাসিক’ অভিহিত করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও মার্কিন সেনাদের প্রশংসা করেন। তিনি তাঁর বার্তায় বলেন:
- “শুভেচ্ছা, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের পক্ষে আপনার সাহসী ও ঐতিহাসিক নেতৃত্বের জন্য। আমি আপনার সেনাদের সাহসী দৃঢ়সংকল্প ও উজ্জ্বল কর্মতৎপরতাকে স্যালুট জানাই।”
- ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার-ও এই পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়ে একে ‘মুক্ত বিশ্বের বিজয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
মাদুরোর বর্তমান অবস্থা ও অভিযোগ
- আটক ও স্থান: ৩ জানুয়ারি ২০২৬-এর ভোরে মার্কিন বিশেষ বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’ ও ডিইএ (DEA) কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ’-এর মাধ্যমে মাদুরো দম্পতিকে আটক করা হয়। বর্তমানে তিনি নিউইয়র্কের কারাগারে আছেন।
- আইনি প্রক্রিয়া: মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে মাদক-সন্ত্রাসবাদ (Narco-terrorism), কোকেন আমদানি এবং ধ্বংসাত্মক অস্ত্র ব্যবহারের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।
- বিচারের অপেক্ষা: যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি নিশ্চিত করেছেন যে, মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
- সমর্থন: ইসরায়েলের পাশাপাশি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জাভিয়ের মিলেই এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।
- নিন্দা: রাশিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়া এই অভিযানকে ‘সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন’ ও ‘সরাসরি সামরিক আগ্রাসন’ বলে নিন্দা জানিয়েছে।
- জাতিসংঘের উদ্বেগ: জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ওপর জোর দিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
মন্তব্য করুন



















