ভেনেজুয়েলার পর এবার ইরানের দিকেও মার্কিন হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে বন্দি করার পর এবার ইরানের অভ্যন্তরীণ সংকটে হস্তক্ষেপের জোরালো ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ মিত্ররা। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের প্রতিবাদে ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে বলপ্রয়োগ করা হলে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ‘উদ্ধারে’ আসবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম সম্প্রতি ‘মেক ইরান গ্রেট এগেইন’ লেখা টুপি পরে ২০২৬ সালকে ইরানের পরিবর্তনের বছর হিসেবে ঘোষণা করেছেন, যা তেহরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানি রিয়ালের রেকর্ড পতনে সাধারণ মানুষের জনজীবন বিপন্ন হওয়ায় টানা এক সপ্তাহ ধরে দেশটিতে বিক্ষোভ চলছে। এর মধ্যেই ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো দাবি করেছে যে, বিক্ষোভকারীদের সুরক্ষার দোহাই দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সীমিত পরিসরে সামরিক বা গোয়েন্দা হস্তক্ষেপের পরিকল্পনা করছে। ভেনেজুয়েলায় ‘অপারেশন অ্যাবসোলুট রিজলভ’-এর সাফল্যের পর ট্রাম্পের পরবর্তী সম্ভাব্য নিশানায় ইরান ছাড়াও কিউবা, কলম্বিয়া ও মেক্সিকোর নাম আসছে, এমনকি ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড দখলের পুরোনো আকাঙ্ক্ষাও নতুন করে আলোচনায় ফিরেছে।

















