বাজেট পেশের আগের দিন শেয়ারবাজারে ব্যাপক অস্থিরতা ও দরপতন
আগামীকাল ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত নতুন বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে এই বাজেট পেশের আগের দিন দেশের শেয়ারবাজারে ব্যাপক অস্থিরতা ও উত্থান-পতনের প্রবণতা দেখা গেছে। লেনদেনের শুরুতে বড় ধরনের উত্থান দিয়ে দিন শুরু হলেও শেষ মুহূর্তের বিক্রির চাপে অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন ঘটে, যার ফলে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল সূচকগুলোর পতন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বুধবার ডিএসইতে লেনদেনের প্রথম আড়াই ঘণ্টা সূচক বেশ ঊর্ধ্বমুখী ছিল। কিন্তু শেষ ভাগে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়ায় বাজারের চিত্র বদলে যায়। দিনশেষে ডিএসইতে ১৪৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়লেও বিপরীতে ১৭৮টির দাম কমেছে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৪টির দাম। এই দরপতনের কারণে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক সামান্য কমলেও ডিএসই শরিয়াহ সূচকটি ২ পয়েন্ট বেড়েছে।
সূচক কমার পাশাপাশি আজ ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কিছুটা কমেছে। বাজারটিতে আজ মোট ১ হাজার ২১০ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৭৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা কম। আগের দিন এখানে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩৮৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।
দেশের অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই ধরণের অস্থিরতা দেখা গেছে। সেখানে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৩৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৮টির দাম বাড়লেও ৯৯টির দাম কমেছে, এবং সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ৭৩ পয়েন্ট। তবে ডিএসইর তুলনায় সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকায়, যা আগের দিন ছিল ২৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা।


















