তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: গাজায় যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অজুহাত খুঁজছে ইসরায়েল
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান অভিযোগ করেছেন, ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে গণহত্যা ফের শুরু করার অজুহাত খুঁজছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, সারা বিশ্বের সামনেই এই অন্যায় চলছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এখনই ইসরায়েলের ওপর কঠোরভাবে চাপ বৃদ্ধি করা।
আঙ্কারায় এস্তোনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারগুস সাখনার সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ফিদান বলেন, “টেকসই শান্তির আশাকে বাঁচিয়ে রাখতে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েলের অবশ্যই যুদ্ধবিরতি মেনে চলা উচিত।”
এস্তোনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাখনা বলেন, গাজার মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ এবং ইসরায়েলের ওপর এখন শক্ত চাপ প্রয়োগ করা জরুরি। তিনি আরও জানান, এস্তোনিয়া সবসময় দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ও জাতিসংঘের ফিলিস্তিন সংক্রান্ত প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করে আসছে। এস্তোনিয়া ইউএনআরডব্লিউএ এবং অন্যান্য সংস্থার মাধ্যমে গাজায় মানবিক সহায়তা পাঠাচ্ছে।
ফিদান বলেন, শারম আল-শেখ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে তুরস্ক যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও অন্যান্য গ্যারান্টর রাষ্ট্রের স্বাক্ষর সেই ঘোষণাকে ঐতিহাসিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
তিনি আরও জানান, গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রাখতে কাজ চলছে, কিন্তু ইসরায়েল এখনও পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা ঢুকতে দিচ্ছে না। তুরস্ক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, এএফএডি ও তুর্কি রেড ক্রিসেন্টের মাধ্যমে রাফাহ সীমান্তে সহায়তা প্রদান করছে। ১৭ অক্টোবর ৯০০ টন সহায়তাসামগ্রী বহনকারী তুর্কি জাহাজ মিসরের আল-আরিশ বন্দরে পৌঁছেছে এবং পরবর্তী সহায়তা মিশনের প্রস্তুতিও শেষ পর্যায়ে।
ফিদান আশা প্রকাশ করেছেন, ধৈর্য ও ঐক্যের মাধ্যমে গাজা পুনর্গঠন সম্ভব হবে এবং আহত ফিলিস্তিনিদের চিকিৎসার জন্য তুরস্কে আনার সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
















