ডিজিটাল রূপান্তরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে যুক্ত করার আহ্বান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর
ডিজিটাল রূপান্তরের পথে দেশের কোনো জনগোষ্ঠী যেন পিছিয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, জ্ঞান ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা সমান গুরুত্বপূর্ণ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে গ্রামীণফোনের ‘ডিজিটাল ইনক্লুশন ফর মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস’ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতায় সক্ষম করে সরকারি সেবা ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের পথ সুগম করা প্রয়োজন। ২০২৮ সালের মধ্যে এসব জনগোষ্ঠীর মানুষের কাছে পৌঁছানোর এমন উদ্যোগ সরকারের ভিশনকে সমৃদ্ধ করবে।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও টেলিনরের সহযোগিতায় পরিচালিত এই কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায় শুরু করেছে গ্রামীণফোন। এর আওতায় ২০২৮ সালের মধ্যে ৪০ লাখ প্রান্তিক মানুষের কাছে ডিজিটাল সুবিধা পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে প্রথম পর্যায়ে দেশের ৩২টি জেলায় ৩৩ লাখের বেশি মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার প্রায় ৬৮ শতাংশই ছিলেন নারী ও কিশোরী।
অনুষ্ঠানে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী বলেন, শুধু নেটওয়ার্ক কভারেজ নয়, ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে প্রয়োজন ডিজিটাল সাক্ষরতা ও প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার। অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির নানা দিক নিয়ে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন এবং শেষে গ্রামীণফোনের সিইও সুবিধাভোগীদের সাথে মতবিনিময় করেন।


















