জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোট
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ২৮ অক্টোবর ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নের জন্য তাদের সুপারিশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে। কমিশন সুপারিশে অবিলম্বে সরকারি আদেশ জারি করে একটি গণভোট আয়োজনের পরামর্শ দিয়েছে।
গণভোটের ব্যালেটে যে প্রশ্নটি থাকবে, তা হলো: ‘আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং এর তফসিল-১ এ সন্নিবেশিত সংবিধান সংস্কার প্রস্তাবসমূহের প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করিতেছেন?’। কমিশন সুপারিশে উল্লেখ করেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও জাতীয় সংসদ হিসেবে কার্যকর থাকবে, তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ কার্যকর থাকবে ২৭০ দিন। বিকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ ২৭০ দিনের মধ্যে তাদের দায়িত্ব সম্পন্ন করতে না পারে, তাহলে গণভোটে পাশ হওয়া বিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে।
সুপারিশে সংসদ নির্বাচনের ভোটের সংখ্যানুপাতে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গণভোটে জনগণের সম্মতি এলে জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার ৪৫ দিনের মধ্যে উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়টি প্রয়োজনীয় সংশোধনীর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। নির্বাচনের পর যে সংসদ কার্যকর হবে, তারাই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হবেন। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একাদিক্রমে সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের জন্য আলাদা শপথ গ্রহণ করবেন এবং সংশ্লিষ্ট শপথপত্র বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করবেন।



















