জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষণ: স্বাধীন ফিলিস্তিন সমর্থন ও বৈশ্বিক সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগের আহ্বান
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে প্রদত্ত নিজের প্রথম ভাষণে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারসহ ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য দাবির প্রতি বাংলাদেশের ধারাবাহিক ও অবিচল সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাত বন্ধে অস্ত্র ও যুদ্ধের পথ পরিহার করে আলোচনা, কূটনীতি এবং মানবতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বৈশ্বিক আহ্বান জানান।
ফিলিস্তিন ইস্যু প্রসঙ্গে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনি জনগণের দীর্ঘদিনের মানবিক সংকট ও দুর্দশা নিয়ে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে গভীর উদ্বেগ বিদ্যমান। বাংলাদেশ শুরু থেকেই আত্মনিয়ন্ত্রণেরাধিকার ও একটি সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাদের অবস্থান সুস্পষ্ট করে এসেছে।
ভাষণে তিনি শুধু ফিলিস্তিনই নয়, বরং বিশ্বের যেকোনো স্থানে ঘটা সংঘাত মোকাবিলায় শক্তি প্রয়োগ না করে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের পথ বেছে নেওয়ার ওপর জোরালো তাগিদ দেন। বিশ্বশান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় যুদ্ধাস্ত্র ও সামরিক আধিপত্যের পরিবর্তে আন্তঃদেশীয় সহযোগিতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চাকে প্রাধান্য দেওয়ার পরামর্শ তুলে ধরা হয়।
এছাড়া প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের এই সর্বউচ্চ বৈশ্বিক মঞ্চে প্রদত্ত তার এই পূর্ণাঙ্গ ভাষণে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, বিশ্ব নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, নিরস্ত্রীকরণ, রোহিঙ্গা সংকট নিরসন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারসহ নতুন বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ রূপরেখা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।



















