গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৬, হামাসের অস্ত্র সমর্পণের শর্তে পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্রের অনড় অবস্থান
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলের নতুন করে চালানো এক ড্রোন হামলায় অন্তত ছয় ফিলিস্তিনি নিহত ও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। বুধবার স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স সংস্থার বরাতে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা অ্যারাবিক এ তথ্য নিশ্চিত করে। গত বছর হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও গাজায় ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী, যার ফলে চুক্তিপরবর্তী সময়েই কেবল প্রায় ১ হাজার ৩০০ ফিলিস্তিনির প্রাণহানি ঘটেছে।
অন্যদিকে গাজার পুনর্গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে মার্কিন প্রশাসনের কঠোর শর্তের কারণে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও বিশেষ দূত জার্ড কুশনার স্পষ্ট জানিয়েছেন, সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস সম্পূর্ণ অস্ত্র সমর্পণ না করা পর্যন্ত গাজাকে পুনর্গঠন করতে দেওয়া হবে না। চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে নেতানিয়াহুর মূল দাবি ছিল—আগে গাজাকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র হতে হবে, তারপরই কেবল ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার সম্ভব।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কুশনার বলেন, গাজা পুনর্গঠনে বিশেষ পরিকল্পনা থাকলেও সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা বা পুনরায় ধ্বংসের ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলে কেউ অর্থ বিনিয়োগ করবে না। যদিও হামাস প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের দেওয়া শর্ত মেনে অস্ত্র জমা দিতে সম্মত হয়েছিল, তবে ইসরায়েল সেনা প্রত্যাহারের আগে পুরো গাজাকে পুরোপুরি নিরস্ত্র করার শর্তে অটল রয়েছে। একই সঙ্গে কুশনার ইঙ্গিত দিয়েছেন, আত্মরক্ষার তাগিদে ইসরায়েল যেকোনো পদক্ষেপ নিলে যুক্তরাষ্ট্র তাতে বাধা দেবে না।


















