গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা
গভীর নিম্নচাপটি আরও অগ্রসর হয়েছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারপাশ ৪৮ কিলোমিটার এলাকায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।
এর প্রভাবে আগামী দুইদিন সারাদেশে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর পুনঃতিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে গভীর নিম্নচাপ গোপালপুর ও পারাদ্বীপের মধ্যে ওড়িশা এবং সংলগ্ন অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, ২৪ ঘণ্টায় ৪৪–৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তা ভারি এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হলে সেটিকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হিসেবে ধরা হয়।
বিশেষ বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় নিম্নচাপ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৩৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৮১০ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৬৬৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে, এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৮৫ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে রাত ৯টার দিকে ওড়িশা ও সংলগ্ন অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
এই অবস্থায় উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। নাগরিকদের সতর্ক থাকা ও আবহাওয়ার আপডেট নিয়মিত অনুসরণ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।



















