উন্নত ও জনবান্ধব ঢাকা গড়তে সৎ নেতৃত্ব ও যোগ্যতার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য সেলিম উদ্দিনের
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে একটি উন্নত ও জনবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সঠিক সিস্টেম, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং সৎ নেতৃত্বের ওপর জোর দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। শুক্রবার রাজধানীর ফার্মগেটের একটি হোটেলে ‘রোমিং ফর ঢাকা নর্থ’ কর্মসূচির অধীনে পাঁচটি দেশ সফরের অভিজ্ঞতা ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মানুষের সংখ্যা বেশি হওয়ার অজুহাতে সেবা বিঘ্নিত হওয়াকে অগ্রহণযোগ্য দাবি করে তিনি বলেন, সততা, দেশপ্রেম ও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে যেকোনো জটিল নগর ব্যবস্থাকেই উন্নত করা সম্ভব।
সম্প্রতি মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, সৌদি আরব ও তুরস্ক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, বিভিন্ন দেশের মেয়র ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করে তিনি দেখেছেন যে পরিচ্ছন্নতা, প্রযুক্তিনির্ভর গণপরিবহন ও নাগরিক কল্যাণ মূলক সেবাগুলো মোটেও অসম্ভব কিছু নয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি সিঙ্গাপুরের পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং তুরস্কের কম খরচে মানসম্মত খাবার ও কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত গণপরিবহন ব্যবস্থার প্রশংসা করেন। তিনি আরও জানান, বিদেশ সফরের এই অর্জিত অভিজ্ঞতাগুলো ধাপে ধাপে ভিডিও ও তথ্যচিত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সেলিম উদ্দিন মিরপুরের একটি হাসপাতালে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বিচ্ছিন্নভাবে কেবল একজন এমপিকে পদত্যাগ করিয়ে বা দলীয় শাস্তির মাধ্যমে এ ধরনের গুরুতর অপরাধ শেষ করা জনগণের কাম্য নয়। পাশাপাশি তিনি তুরস্কের আদলে হাসপাতালটিকে আন্তর্জাতিক মানের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে রূপান্তরের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এবং এতে জামায়াতে ইসলামীর সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। উক্ত প্রেস ব্রিফিং পরিচালনা করেন জামায়াতের ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।



















