উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বানের আশঙ্কা, চার পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপরে পানি
দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতির দিকে যাচ্ছে। পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে প্রধান নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় ইতিমধ্যেই চারটি স্টেশনে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১২টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া এবং বেশ কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার জোরালো আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বন্যা সতর্কীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ ও মারকুলি পয়েন্টে এবং সুরমা নদীর পানি ছাতক পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে সোমেশ্বরী নদীর পানি কলমাকান্দা পয়েন্টেও বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে। বিশেষ করে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, সুরমা-কুশিয়ারা ও সোমেশ্বরী অববাহিকার লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম, সিলেট, সুনামগঞ্জ, শেরপুর ও নেত্রকোনাসহ বেশ কিছু জেলা তীব্র ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ও আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, টানা বৃষ্টিপাত ও ভারতীয় ঢল অব্যাহত থাকলে নতুন করে জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং আত্রাই নদীর পানিও বর্তমানে বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে।
পরিস্থিতি মোকাবেলায় নদীতীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ পরিচালনায় প্রস্তুত থাকতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।



















