ই-পাসপোর্ট জালিয়াতি ও অনিয়মে সহকারী প্রোগ্রামারকে এক বছরের জন্য বেতন অবনমিত
ই-পাসপোর্ট ইস্যু প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ডাটা অ্যান্ড পার্সোনালাইজেশন সেন্টারের সহকারী প্রোগ্রামার হাসানুজ্জামানকে এক বছরের জন্য বেতন গ্রেডে এক ধাপ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ লঘুদণ্ডের কারণে তার মাসিক বেতন ১ হাজার ৭১০ টাকা কমে হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-৪ শাখা বৃহস্পতিবার জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, এনায়েত উল্লাহ লিটন মিয়ার এমআরপি নম্বর ব্যবহার করে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন। এতে লিটন মিয়ার মূল পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যায়। প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত এবিআইএস সফটওয়্যারে মুখাবয়ব ও আঙুলের ছাপ অমিল থাকা সত্ত্বেও সিস্টেম আবেদন বাতিল করেনি। বরং হাসানুজ্জামান তার ইউজার আইডি ব্যবহার করে ইআইডি রিলিজ ও অনুমোদন দেন।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক সাকিবুর রহমানের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় মামলা হয়েছে। তদন্ত কমিটি ঘটনার সব নথি, সাক্ষ্য ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে পরামর্শ দেয় যে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণ প্রমাণিত।
এর ভিত্তিতে মো. হাসানুজ্জামানের বেতন ৩৫,৮৮৮ টাকা থেকে এক ধাপ কমিয়ে ৩৪,১৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক বছর পর তিনি আগের বেতনক্রমে ফিরতে পারবেন, তবে কোনো বকেয়া সুবিধা পাবেন না।



















