ইউরোপের সামরিকীকরণে রাশিয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউরোপের ক্রমবর্ধমান সামরিকীকরণকে ঘিরে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপ ক্রমাগত সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে, এবং এর জবাবে রাশিয়া ‘গুরুত্বপূর্ণ ও কঠোর’ পদক্ষেপ নেবে। একই সঙ্গে তিনি ন্যাটো আক্রমণের নামে রাশিয়াকে নিয়ে যে প্রচারণা হচ্ছে, তা ‘অর্থহীন হিস্টেরিয়া’ বলে অভিহিত করেন।
পুতিন বৃহস্পতিবার রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় সাগরপাড়ের শহর সোচিতে পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক এক ফোরামে বলেন, ন্যাটো দেশগুলো বিশ্বাস করে না যে রাশিয়া তাদের ওপর হামলা চালাবে। তিনি অভিযোগ করেন, ইউরোপ ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে এবং সামরিক ব্যয় বাড়ানোর জন্য ভিত্তিহীন ‘হিস্টেরিয়া’ তৈরি করছে। তিনি আরও বলেন, “রাশিয়া কখনো দুর্বলতা দেখাবে না, যা ঘটছে, আমরা তা উপেক্ষা করতে পারি না।”
পুতিনের মতে, ইউক্রেন ও ন্যাটো মিত্ররা রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ চালাচ্ছে। গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ এবং অস্ত্র পাঠানোর মাধ্যমে তারা বাস্তবে যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে। তিনি ইউক্রেনকে সতর্ক করে বলেন, জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এলাকায় হামলা করা রাশিয়ার জন্য বিপজ্জনক হতে পারে, এবং এর জবাবে রাশিয়া পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারে।
তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রশংসা করে উল্লেখ করেন, আগস্টে আলাস্কায় অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ সমাধান ও দুই দেশের সম্পর্ক পুনরায় উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে পুতিন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কিয়েভকে ন্যাটো সদস্যপদ থেকে প্রত্যাহার করতে হবে এবং কিছু ভূখণ্ড ছাড়তেও হবে, অন্যথায় রাশিয়া কোনো সমঝোতার দিকে এগোবে না।
















