আইপিএল ফাইনাল হেরে হোটেলে ফেরার পথে গুজরাট টাইটান্সের টিম বাসে আগুন
আইপিএল ফাইনালে হারের পর রাতে গুজরাট টাইটান্সের টিম বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মাঠ থেকে হোটেলে ফেরার পথে এই দুর্ঘটনার কারণে প্রায় ঘণ্টা খানেক রাস্তাতেই আটকে থাকতে হয় শুভমান গিলদের। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, শর্ট সার্কিট থেকে বাসের ভেতরের অংশ ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এবং বাসটি পুরোপুরি বিকল হয়ে পড়ে। তবে বড়সড় কোনো ক্ষতি হওয়ার আগেই রাস্তার ধারে বাস দাঁড় করিয়ে দ্রুত ক্রিকেটারদের নামিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে অন্য বাসের ব্যবস্থা করা হলে ক্রিকেটাররা নিরাপদে হোটেলে পৌঁছান।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে রোববারের ফাইনাল ম্যাচে গুজরাট টাইটান্সকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বিরাট কোহলিদের রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)। সেই মাঠ থেকেই হোটেলে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন শুভমান গিল, মোহাম্মদ সিরাজ ও কাগিসো রাবাদারা। বিকল্প বাস আসতে কিছুটা সময় লাগায় ততক্ষণ তাদের রাস্তাতেই অপেক্ষা করতে হয়। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে দলের সব ক্রিকেটার ও স্টাফ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রয়েছেন।
এই দুর্ঘটনার পর আইপিএলে গুজরাট দলের টানা ভ্রমণ ও ব্যস্ত সূচি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত ২৭ মে ধর্মশালা থেকে পাঞ্জাবের মুল্লানপুর পৌঁছানোর পর ২৯ মে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ খেলে তারা। এরপর ৩০ তারিখে আহমেদাবাদ পৌঁছানোর কথা থাকলেও আবহাওয়ার কারণে বিলম্ব হওয়ায় শনিবার রাতে তারা সেখানে পৌঁছান। টানা যাত্রার এই ধকল ফাইনালে দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেছিল কি না, তা নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে ভ্রমণের এই ধকলকে হারের মূল কারণ হিসেবে দাঁড় করাতে রাজি নন গুজরাট টাইটান্সের ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট বিক্রম সোলাঙ্কি। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, অল্প সময়ে অনেক ম্যাচ খেলার কারণে খেলোয়াড়রা কিছুটা ক্লান্ত ছিলেন ঠিকই, কিন্তু শুধু এই অজুহাত দিয়ে তিনি আরসিবি-র যোগ্য জয়ের কৃতিত্বকে খাটো করতে চান না।


















